শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:২০ পূর্বাহ্ন

ওমানে এক প্রবাসীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ১১
ওমানে আইন লঙ্ঘনে ৪২ জনের ৯ জনই বাংলাদেশী নাগরিক

মাদক নিয়ে অনুপ্রবেশকারী এক মাদক পাচারকারীর বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ওমানের একটি আদালত। আটককৃত প্রবাসী ওমানে অবৈধ মাদক দ্রব্য চোরাচালানে জড়িত থাকার প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আজ এই রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওমানের পাবলিক প্রসিকিউশন।

আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি আটককৃত সকল মালামাল বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশনা দেন। সেইসাথে তার সাজা শেষ হওয়ার পর আজীবনের জন্য ওমান থেকে ভিসা বাতিল করে নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ও রায় দেন আদালত। তদন্ত প্রতিবেদনে জানা গেছে, আটককৃত প্রবাসী গত ৩ জুন সমুদ্রপথে ওমান অনুপ্রবেশ করে। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গাজা, হিরোইন এবং বিভিন্ন মাদক দ্রব্য জব্দ করে পুলিশ।

জর্ডানে বাংলাদেশি পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন, পরিস্থিতি সামাল দিতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন

ডাস্টবিনে এক বাংলাদেশি নারী অভিবাসীর মরদেহ পাওয়া এবং শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবীতে প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে জর্ডানের রামথা শহরে একটি কারখানায় বাংলাদেশি পোশাক শ্রমিকরা আন্দোলন ও ধর্মঘট করছেন। এ প্রসঙ্গে আজ (১৭ নভেম্বর) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি বাংলা। 

শহরটির আল হাসান শিল্প এলাকায় অবস্থিত ক্লাসিক ফ্যাশন অ্যাপারেলে এই আন্দোলন চলার সময় কিছু ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছেন জর্ডানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, শ্রমিকদের অভিযোগ এখন তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে। 

এ ছাড়া একটি ডাস্টবিনে এক বাংলাদেশি নারী অভিবাসীর মরদেহ পাওয়া গেছে, যা নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। পোশাক শ্রমিকরা তাকে নিজেদের একজন দাবি করে এ নিয়ে ক্ষোভ এবং আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন। দুদিন আগে রাত ১১টার দিকে কয়েকটি গাড়িতে করে লোকজন হোস্টেল থেকে একটা মেয়েকে তুলে নিয়ে গেছে। আর একটা মেয়ে ব্যাংকে গিয়ে আর ফেরেনি। এ নিয়ে শ্রমিকরা এখন খুব ভয়ের মধ্যে আছেন বলে জানাগেছে। 

আরো পড়ুনঃ ওমান আউটপাশঃ যেভাবে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করবেন

আম্মানে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি আটক হননি। তবে ঘটনা সামাল দিতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। দেশটির সবচেয়ে বড় তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান এই ক্লাসিক ফ্যাশন অ্যাপারেল। কারখানার শ্রমিকদের বেশির ভাগ নেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। কোম্পানিটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, সেখানে ৩০ হাজারের মতো শ্রমিক রয়েছে।

দেশটিতে মানবাধিকার ও আইনি সহায়তা দেয় এমন একটি সংস্থা তামকিন ফর লিগ্যাল এইড অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস বলছে, এই শ্রমিকদের অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশি নারী শ্রমিক। দূতাবাসের তথ্যমতে, জর্ডানে আনুমানিক ৭০ হাজারের মতো বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছে, যার অর্ধেকের বেশি পোশাক শ্রমিক।

 

আরো দেখুন বুলেটিনে

প্রবাস টাইম সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

রিলেটেড নিউজ
© 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Technical Support By NooR IT
error: Content is protected !!