শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন

প্রবাসীদের পুনর্বাসন ঋণ কিছুটা সহজ করলেন মন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে নির্দেশ দিলেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ
ফাইল ছবিঃ

করোনাকালিন সময়ে দেশে ফেরত প্রবাসীদের পুনর্বাসন ঋণ কঠিন শর্তের বেড়াজাল থেকে বেড়িয়ে কিছুটা সহজ করলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। পূর্বের দেওয়া শর্তে প্রবাসীদের পক্ষে ঋণ পাওয়া অসম্ভব বলে মনে করলেও নতুন নিয়মে কিছুটা হলেও ঋণ পাবেন এমনটাই মনে করছেন প্রবাসীরা।

এখন থেকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারির পরে যে সকল প্রবাসীরা দেশে ফিরেছেন তারাও বিশেষ পুনর্বাসন ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সম্প্রতি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ফেইসবুক পেইজে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগের ঘোষণা অনুযায়ী ১ মার্চের পরে যারা ফেরত এসেছেন তাদের জন্য এই ঋণ সুবিধা থাকলে এখন থেকে জানুয়ারির পর যারা দেশে এসেছেন, তারাই ঋণের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের সারা দেশে ৬৩ শাখায় আবেদন করতে পারবেন। সকল শাখার ঠিকানা ও ফোন নম্বর জানতে ক্লিক করুন।

গত ১৫ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঋণ কার্যক্রম চালু করা হয়। এর আগে ১৩ জুলাই প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মধ্যে একটি সমঝোতা সই হয়। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এর তহবিল থেকে ২০০ কোটি টাকা দেয়া হয় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে। চার শতাংশ সুদে এবং সহজ শর্তে ঋণ বিতরণ করার কথা থাকলেও গেল দুই মাসে কঠিন শর্তের কারণে একজন গ্রাহকও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে বিশেষ পুনর্বাসন ঋণ পাননি।

প্রবাস ফেরতরা বলছেন, কঠিন শর্তের বেড়াজালে ঋণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। বিশেষ করে আগাম প্রকল্প দেখানোর শর্তটি প্রবাসীদের পক্ষে পূরণ করা অসম্ভব বলে মনে করছেন তারা। তাদের অভিযোগ, ব্যাংকে ঋণের আবেদন নিয়ে গেলে বলা হচ্ছে, কি কাজে ঋণের টাকা ব্যবহার করবেন সেই প্রকল্প দেখাতে হবে। অর্থাৎ মুরগির খামার, মাছ চাষ বা দোকান করতে ঋণ আবেদন করলে বলা হচ্ছে, আগে এই খামারগুলো দেখাতে হবে তারপরে ঋণ দেয়া হবে। এ ধরণের শর্ত প্রবাস ফেরতদের পক্ষে পূরণ সম্ভব নয় বলে মনে করছেন তারা।

আরো পড়ুনঃ ওমান থেকেও দেশে আসছে করোনা রোগী!

এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, এরমধ্যে চার-পাঁচটি শর্ত সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একইসাথে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস (ডিইএমও) থেকে যে প্রত্যয়ন পত্র নেয়া বাধ্যতামূলক ছিল সেটিও যাতে না নেয়া হয় এজন্য পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের সুবিধার্থে করোনা ভাইরাস শুরুর আগে যারা দেশে ফেরত এসে আটকা পড়েছেন তাদেরকেও ঋণের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। প্রবাসীরা যাতে সহজে ঋণ নিয়ে কিছু করতে পারেন, সেজন্য মন্ত্রণালয় সব ধরণের চেষ্টা করছে বলে জানান মন্ত্রী।

সকল শাখার ঠিকানা ও ফোন নম্বর জানতে ক্লিক করুন।  

(ঋণের বিস্তারিত নীতিমাল দেখতে ক্লিক করুন।)

আরো দেখুনঃ ওমান থেকে আকাশ পথে দেশে আসছে করোনা রোগী 

প্রবাস টাইম সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

রিলেটেড নিউজ
© 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design by : NooR IT
www.ashrafalisohan.com
error: Content is protected !!