বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:১৩ অপরাহ্ন

ভারতে মদ না পেয়ে স্যানিটাইজার পানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২০
  • ১০৬
ভারতে মদ না পেয়ে স্যানিটাইজার পানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪

মহামারী করোনার লকডাউনে ভারতে বন্ধ মদের দোকান। কিন্তু লকডাউন ওঠা পর্যন্ত সবুর করতে পারছিলেন না তারা। তাই অ্যালকোহল মেশানো স্যানিটাইজারই গলায় ঢেলেছিলেন। তাতে বেঘোরে প্রাণ গেল ১৪ জনের। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা। জানাগেছে, ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে মদের দোকান বন্ধ থাকায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার পান করে মৃত মানুষের সংখ্যা আরো বেড়েছে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) অন্ধ্র প্রদেশের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতদের পরিবার বলছে, গত ১০ দিন আগে স্থানীয় বাজার থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার কেনেন তারা। এই স্যানিটাইজার পরীক্ষার জন্য গবেষণাগারে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। প্রদেশটির প্রকাশ জেলার কুড়িচেদু এলাকায় এ ঘটনার পর মদের দোকানগুলি বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। স্যানিটাইজার পান করে আর কোনও হাসপাতালে কেউ রয়েছেন কি না, তার খোঁজ চলছে। যে দোকান থেকে স্যানিটাইজার কিনে পান করেছিলেন নিহতরা, ওই দোকানের সমস্ত স্যানিটাইজার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেগুলি পরীক্ষা করে দেখতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরো পড়ুনঃ ওমানে সামরিক বাহিনীর ছবি বা ভিডিও করা গুরুতর অপরাধ

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে অন্ধ্র প্রদেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। যার কারণে রাজ্যটিতে লকডাউন জোরদার করা হয়েছে। বন্ধ রয়েছে সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। মদের দোকান খোলা না থাকায় একটি গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা স্যানিটাইজারের সঙ্গে কোমল পানীয় মিশিয়ে পান করে। পরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে কয়েকজন মারা যান।

রাজ্য পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লকডাউনের জেরে কুরিছেদু ও সংলগ্ন এলাকায় সমস্ত দোকানপাট বন্ধ ছিল। বন্ধ ছিল মদের দোকানও। তাই স্যানিটাইজার দিয়ে কাজ চালাতে যান ওই ন’জন। তাতেই বিপত্তি ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, ২৫ বছর বয়সি এ শ্রীনু, ৩৭ বছরের বি তিরুপাতাইয়া, ৬০ বছরের জি রামিরেড্ডি, ২৯ বছরের কে রামনাইয়া, ৬৫ বছরের রামনাইয়া, ৬৫ বছরের রাজিরেড্ডি, ৪০ বছরের বাবু, ৪৫ বছরের চার্লস এবং ৪৭ বছরের অগাস্টাইন।

আরো পড়ুনঃ কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার পাবে বিদেশফেরত কর্মীরা

নিহতদের মধ্যে তিন জন পেশায় ভিক্ষাজীবী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে দু’জন আবার স্থানীয় এক মন্দির চত্বরে ভিক্ষা করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে একসঙ্গে বসে স্যানিটাইজার পান করার পর সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু হয় এক জনের। চিকিৎসাধীন থাকাকালীন পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় আরও এক জনের।

আরো দেখুনঃ ওমানের বিশেষ ফ্লাইট প্রসঙ্গ

প্রবাস টাইম সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

রিলেটেড নিউজ
© 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Technical Support By NooR IT