শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন

সৌদির ওয়ার্ক ভিসা বাতিল, ঝুঁকিতে এক লাখ বাংলাদেশী

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২০
  • ১৭৯
৮ শর্তে চাকরি পরিবর্তন করতে পারবেন সৌদি প্রবাসীরা
ফাইল ফুটেজঃ

চলতি বছরের মার্চের ১৮ তারিখ থেকে পাসপোর্টে স্ট্যাম্প হওয়া প্রাইভেট খাতের সব ধরনের ওয়ার্ক ভিসা বাতিল করে এর ফি ফেরত দেয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সৌদি সরকার। আর এতেই বাংলাদেশ থেকে প্রায় লক্ষাধিক কর্মীর সৌদিতে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরবের তেল বিক্রি এবং মূল্য কমে যাওয়ার কারণে সৌদির অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানাগেছে।

দেশটির এমন সিদ্ধান্তে মহামারি করোনার বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের সবচাইতে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবে। দেশটিতে বেসরকারি খাতে নতুন সব ধরনের ওয়ার্ক ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্তে ভয়াবহ হুমকিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি। আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধ থাকার কারণে স্ট্যাম্প হওয়া সব ওয়ার্ক ভিসা বাতিল করে ফি ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

আরও পড়ুনঃ নতুন সূর্য উঁকি দিচ্ছে ওমানের আকাশে

যদিও দেশটিতে বর্তমানে যারা কর্মরত আছেন তাদের বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি সৌদি সরকার। এ কারণে চলমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে প্রবাসীদের মনে। এ ব্যাপারে সৌদি আরবের রিয়াদ থেকে জাহিদ নামে এক প্রবাসী প্রবাস টাইমকে বলেন, দুইমাস আগে আমার ছোট ভাইয়ের জন্য ৯০০০ (নয় হাজার) রিয়াল দিয়ে ভিসা কিনেছিলাম। ছোট ভাইয়ের মেডিক্যাল ও হয়েগেছে, করোনার কারণে ফ্লাইট বন্ধ হওয়াতে আসতে পারেনি। এখন যদি ভিসা বাদ হয়ে যায়, তাহলে আর্থিক ভাবে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে যাবো।

জাহিদ বলেন, সাধারণত সৌদি আরবের ভিসার টাকা আরবিদের হাতে একবার গেলে, সেই টাকা ফেরত পাওয়া খুবই দুষ্কর। এমতাবস্থায় দেশটির এই নতুন আইনে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশী আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে জানান জাহিদ।

আরও পড়ুনঃ ওমানে বাংলাদেশী প্রবাসী গ্রেফতার

সৌদি আরব শ্রমিক নেতা বাবুল দাস বলেন, পাসপোর্টে স্ট্যাম্প হওয়া প্রাইভেট খাতের সব ধরনের ওয়ার্ক ভিসার জন্য তারা সামান্য কিছু টাকা প্রদান করবেন এবং ভিসা বাতিল করবেন। সৌদিতে অভিবাসন ও জনশক্তি রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিবাসন বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফুর রহমান এর মতে দেশটিতে থাকা ২২ লক্ষাধিক বাংলাদেশি কর্মীর কিছু অংশ ফেরত গেলেও বাংলাদেশের রেমিটেন্স খাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে করোনায় দেশটির অর্থনীতি কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হলো, তার ওপরই সব কিছু নির্ভর করবে। বায়রা বলছে, নতুন করে সৌদিতে যাওয়ার জন্য প্রায় এক লাখ বাংলাদেশির ভিসা প্রস্তুত রয়েছে। তবে বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় তাদের যাত্রা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

 

প্রবাস টাইম সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

রিলেটেড নিউজ
© 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Technical Support By NooR IT
error: Content is protected !!